News Breaking
Live
wb_sunny

Breaking News

কীভাবে ড্রাইভিংয়ে দক্ষতা বাড়াবেন

কীভাবে ড্রাইভিংয়ে দক্ষতা বাড়াবেন

 




#কীভাবে_ড্রাইভিংয়ে_দক্ষতা_বাড়াবেন?


গাড়ি চালানোর জন্য দক্ষতা অর্জন করা বাধ্যতামূলক। আপনি যতবেশি ড্রাইভিং প্র‍্যাকটিস করবেন, তত বেশি আপনার দক্ষতা বাড়বে। আপনি ড্রাইভ করার সময়, আপনার হাতের উপর নির্ভর করবে, গাড়ির সকল যাত্রীদের জীবন। তাই অবশ্যই অবশ্যই, যথেষ্ট দক্ষ হয়ে উঠার পর, যাত্রীদের নিয়ে ড্রাইভিং করা উচিৎ।  দক্ষতা বাড়নোর জন্য অন্যতম প্রয়োজনীয় হলো, গাড়ি চালানোর নিয়মকানুন এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ভালোভাবে জানা। আমরা যারা নিয়মিত ড্রাইভিং করে থাকি, তারা কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে ড্রাইভিং স্কিল আরেও একটু বাড়াতে পারি। এ-সম্পর্কেই আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো


১-ট্র্যাফিক আইন মেনে চলুন  


ট্র্যাফিক আইন মেনে চলা সকলের জন্যই বাধ্যতামূলক। তাই সবসময়ই আমাদের ট্রাফিক আইন মেনে চলে উচিত। আপনি যখন গাড়ি চালান, তখন আরও বেশি ভালভাবে তা মেনে চলা উচিত। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কমে যায়। তাছাড়া, গাড়ি চালানোর সময় যদি ট্র্যাফিক পুলিশ গাড়ি থামানোর ইঙ্গিত দেয়, তখন আপনাকে অবশ্যই গাড়ি থামাতে হবে। তারা গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে দেখাতে হবে। গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলোও ঠিকঠাক রাখতে হবে সবসময়।  তাদের সাথে ভালো আচরণ করতে হবে। এছাড়াও আপনাকে ট্র্যাফিক নিয়মগুলো ভালভাবে জানতে হবে। হলুদ সিগনাল দেখলেই থেমে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ, রেড লাইট আসার সাথে সাথেই থামা বাধ্যতামূলক। এইক্ষেত্রে দেরী করলে জরিমানা ও হতে পারে।


২- গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে  রাখুন   

গাড়ি চালানোর সময় সবসময়ই সতর্ক হয়ে চারিদিকে  খেয়াল রাখতে হবে। গাড়ির স্পিড নিয়ন্ত্রণে রেখে মনোযোগী হয়ে গাড়ি চালাতে হবে। কারণ স্পীড নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলে, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। বাংলাদেশের আইন অনুসারে হাইওয়েতে সর্বোচ্চ গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার। এই ৮০ কিলোমিটার গতিসীমা মেনে চলুন। এছাড়াও শহরের রাস্তাগুলোতে রাস্তার পাশে গতিসীমা লিখা থাকে, সেই গতিসীমা সর্বদা মেনে চলুন। কারণ, গতিসীমা অতিক্রম করলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে।


৩-  ফোকাস ঠিক রাখুন   

সবসময় আপনার আশেপাশে সবদিক খেয়াল করে মনোযোগের সাথে গাড়ি চালাতে হবে। গাড়ির আয়নাগুলোর দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। দুইপাশের দুটি এবং মাঝখানে একটি, মোট ৩টি আয়নার দিকে সর্বোদা খেয়াল রাখতে হবে। হাইওয়ের বাজার এলাকা এবং শহরের আবাসিক এলাকাগুলোতে মানুষজন হুটহাট করে রাস্তায় চলে আসতে পারে। সেইসব ক্ষেত্রে আপনার ফোকাস ভালো থাকলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে না। সেজন্যই সবসময়ই ফোকাস  ঠিক রেখে সচেতনভাবে ড্রাইভিং করতে হবে। সবক্ষেত্রে দৃষ্টি রেখে নিরাপদে ড্রাইভিং করার চেষ্টা করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময়, মনযোগ  হারানো যাবে না। এছাড়াও আপনাকে, অন্য গাড়ির ড্রাইভাররা কি করতে যাচ্ছে, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আশপাশের সবকিছু বুঝে দক্ষতার সাথে সুন্দরভাবে গাড়ি চালানোই একজন দক্ষ ড্রাইভারের বৈশিষ্ট্য 


৪- অন্য গাড়িকে সাইড দিন  

গাড়ি চালানোর সময় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করতে দেয়ার সুযোগ দেয়া উচিত। যদিও সে যদি স্পিড লিমিটের চেয়েও বেশি গতিতে গাড়ি চালায়, তাও তাকে ওভারটেক করার সুযোগ দিন। কারণ, তাকে সাইড না দিলে সে হর্ণ দিয়ে বিরক্ত করবে এবং দুর্ঘটনা ঘটার ও সম্ভাবনা থাকে। কেও ওভারটেক করতে আসলে কখনোই তার সাথে তাল মিলিয়ে গাড়ির গতি বাড়াবেন না অবশ্যই অবশ্যই সাইড দিয়ে সামনে যাওয়ার সুযোগ করে দিবেন। এছাড়াও সঠিক সময়ে সঠিক ইন্ডিকেটর  ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে, অন্য ড্রাইভারেরা সতর্ক হতে পারবে এবং আপনি কোনদিকে যাবেন, তা বুঝতে পারবে এবং সেই অনুযায়ী সে সতর্ক হতে পারবে।


৫- নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন‼

সবসময় অন্য গাড়ি থেকে কিছুটা দূরত্ব রেখে ড্রাইভিং করা  ভালো। আপনার এবং সামনের গাড়ির মধ্যে একটা নির্দিষ্ট দুরুত্ব রেখে ড্রাইভিং করবেন। সময়ের হিসেবে এটা দুই থেকে চার সেকেন্ড হওয়া উচিত। সামনের গাড়ি হঠাৎ করে ব্রেক করলে গাড়ি থামানোর জন্য আপনি যথেষ্ট সময় হাতে পাবেন। নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ড্রাইভিং করলে, অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনাগুলো এড়ানো যায়। আর অবশ্যই অবশ্যই বাস এবং ট্রাক থেকে দুরত্ব বজায় রাখবেন। কারণ, বাংলাদেশের অনেক বাস-ট্রাকেরই ব্রেক লাইট  জ্বলে না। যার কারণে, ব্রেক করলে বুঝায় উপায় থাকে না। তাছাড়া, হাইওয়েতে গাড়ি অনেক বেশি গতিতে চলে। হাইওয়েতে অবশ্যই যথেষ্ট দূরত্ব রাখতে হবে সামনের গাড়ি থেকে। বিশেষ করে ট্রাক এবং দূরপাল্লার বাসগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাফেরা করে। আরেকটা সমস্যা হলো, দ্রুত ট্রাক থামানোটা একটু কঠিন। ট্রাকের  ব্রেক করতে একটু বেশি সময় প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাই ট্রাক থেকে একটু দূরত্ব বজায় রাখা উচিত 


৬- ধৈর্য্য ঠিক রাখুন‼

গাড়ি চালানোর সময়, আসতর্কভাবে রাস্তা পারাপার, সিগনাল ছাড়া গাড়ি ঘুরানো, এইরকম অনেক দৃশ্য আপনাকে দেখতে হবে।কারণ, আমাদের দেশের ড্রাইভার এবং মানুষ এখনো অসচেতন। এইসব পরিস্থিতিতে মেজাজ খারাপ করা যাবে না। কারণ, মেজাজ খারাপ করে গাড়ি চালানে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে!  প্রয়োজনে গাড়ির অন্যান্য যাত্রীদের সাথে গল্প করুন অথবা গাড়িতে গান শুনুন। এতে মন ভালো থাকবে। ড্রাইভিংএ মনোযোগ বাড়বে।


৭- সুন্দরভাবে গাড়ি চালান‼

গাড়ি সুন্দর চালানোও কিন্তু দক্ষতার একটি অংশ। গাড়ি চালানোর কিছু নিয়ম আছে। অর্থাৎ আপনাকে এক্সিলারেটর প্যাডেল হালকা চেপে আস্তে-ধীরে গতি বাড়াতে হবে। একইভাবে ব্রেকের ক্ষেত্রেও একই। ব্রেক করার স্থানের কিছুটা আগে থেকেই এক্সিলেটর ছাড়তে হবে এবং ধীরে-ধীরে ব্রেক চেপে গতি কমাতে হবে। এভাবে গাড়ি চালালে গাড়ির মাইলেজ ও ভালো থাকে। গাড়ির ভেতরের যাত্রীদের ভ্রমণটাও ভালো লাগবে। অযথা অতিরিক্ত জোরে এক্সিলেটর চেপে গতি বাড়িতে এবং জোরে ব্রেক করলে যাত্রীদের অসুবিধা হয়। এভাবে গাড়ি চালাতে গাড়ির তেল খরচ হয় প্রচুর। ইঞ্জিনের উপর ও অনেক বেশি চাপ পড়ে। সবমিলিয় ধুপধাপ স্পীড এবং ধুপধাপ ব্রেক করে গাড়ি চালানো যাবে না। 


৮- সাবধানে গাড়ি পার্ক করুন‼ 

চারপাশের সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদ জায়গায় গাড়ি পার্ক করতে হবে। সেক্ষেত্রে গাড়ি পার্ক করার সময় যাতে অন্যদের কোন অসুবিধা না হয়, সেইদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। আপনি গাড়ি পার্ক করার সময় যেন যানজট বাধিয়ে না ফেলেন কিংবা পথচারীদের কোন অসুবিধা সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। এছাড়াও গাড়ি পার্ক করার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে অন্য কোন গাড়িতে ধাক্কা না লাগে। মূলত, গাড়ি থামানোর সময় আশেপাশে এবং রোডের দিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা না ঘটে। এছাড়াও অবশ্যই নিরাপদ স্থানে গাড়ি পার্ক করতে হবে। কারণ, অনিরাপদ স্থানে গাড়ি রাখলে গাড়ির পার্টস চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।






Tags

Newsletter Signup

Sed ut perspiciatis unde omnis iste natus error sit voluptatem accusantium doloremque.

Post a Comment